Home

Welcome!

We provide services on the basis of diet therapy, exercise therapy and behavioral change therapy

Our nutritionist can help you with issues such as, but not limited to:

What We Do

Diet Counseling Centre

Overview

There’s A Lot You Can Do For Your FITNESS!

Obesity 72.5%
Thinness 83.2%
Malnutrition 81%
Perfect body shape 97%
Obesity + hypertension 88.8%
Obesity + muscle pain + Arthritis 83.3%
Overweight + diabetes 94.6%
Overweight + hyperlipidemia + Cardiac problem 89%
Overweight + depression 98%

Our Services

Testimonials

‘মানুষ তাই যা সে খায়’- কথাটি সর্বাংশে সত্যি। খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করেই গড়ে ওঠে একজন মানুষের স্বাস্থ্য, খাদ্যাভ্যাসেই তার সুস্থতা। গোটা জাতির বেলায়ও এ কথা বলা চলে। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাস্থ্যহীনতার পিছনে বড় একটা কারণ খাদ্যাভ্যাস। দেশের অনেক মানুষ দারিদ্র্যের কারণে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য পায় না। আর যাদের সঙ্গতি রয়েছে তারা এতই বেশি পায় আর খায় যে তা হিতে বিপরীত হয়ে দাঁড়ায়। বেশির ভাগ মানুষই না বুঝতে পারার কারণে সুষম খাবার থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে স্বাস্থ্যহীনতা আমাদের জাতীয় জীবনে এক বড় অভিশাপ। আমাদের চারদিকের এতো অস্থিরতা, অসহিষ্ণুতার একটা বড় কারণ। একজন স্বাস্থ্যহীন মানুষের মানসিক উৎকর্ষ সাধনও কঠিন কাজ।

ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার দীর্ঘ দিন ধরে কাউন্সেলিং ও ডায়েট প্লেনের মাধ্যমে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করছে। দীর্ঘ এক যুগ ধরে তারা এ কাজটি করছেন এবং বহু মানুষ এর সুফল পেয়েছেন। আমি নিজেও ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের পরামর্শ নিয়ে উপকৃত হয়েছি।

ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের একযুগ পূর্তিতে আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাদের যুগপূর্তি অনুষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। ভবিষ্যতেও তাদের এ কর্মোদ্যম অব্যাহত থাকবে এবং সম্প্রসারিত হবে বলে আমি আশা করি।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

সভাপতি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র

ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার এখন অনেকের কাছেই একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের নাম। বিশেষ করে সাশ্রয়ী খরচে দেশীয় খাবার খেয়ে কীভাবে সুস্থ, রোগমুক্ত থাকা যায় তার জন্য সঠিক খাদ্য নির্দেশিকা খুবই প্রয়োজন। ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার এ কাজটি দীর্ঘ একযুগ ধরে করে আসছে। গর্ভকালীন খাদ্য ব্যবস্থাপনা, সন্তান জন্মদানের আগে ও পরে কীভাবে মা এবং শিশুর কাঙ্খিত ওজন বজায় রাখা সম্ভব, গর্ভকালীন রোগসমূহ যেমন পেটের অসুখ, ডায়াবেটিস, এনিমিয়া, প্রসবজনিত নবজাতকের ৬ মাসকালীন যত্ন, কীভাবে সব ধরনের পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা সম্ভব, কী ধরনের খাদ্য মায়ের দুধ উৎপাদন বাড়াবে, শালদুধ শিশুকে কেন অবশ্যই খাওয়াবেন, ৬-২৩ মাস বয়সী শিশুদের পরিপূরক খাবার তৈরির প্রস্তুত প্রণালী এ সব বিষয়ে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানসম্পনড়ব পুষ্টিবিদরা এখানে সেবা দিয়ে আসছেন।

ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের একযুগ পূর্তি উপলক্ষে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আগামীতে তাদের এই প্রচেষ্টা আরও প্রসারিত হবে এ কামনা করছি। দেশের মানুষের জন্য তাদের এ প্রচেষ্টা সফল হোক।

অধ্যাপক ডাঃ এস. কে. রায়

অধ্যাপক ডাঃ এস. কে. রায়

সিনিয়র সায়েন্টিস্ট, চেয়ারপার্সন, বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন

ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার একটি সুপরিচিত নাম। কম বেশি সবার এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা আছে। সুস্থ ও রোগমুক্ত থাকার জন্য সঠিক খাদ্য নির্দেশনা খুবই প্রয়োজন। বিভিনড়ব রোগে পথ্যের গুরুত্বও অনেক। বর্তমানে বাংলাদেশ অপুষ্টির পাশাপাশি কিছু non communicable disease যেমন Obesity, diabetes, HTN, rheumatics ইত্যাদির প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঔষুধের পাশাপাশি সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা রোগের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আবশ্যক।

ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার এ বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য জন্মলগড়ব থেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দক্ষ, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানসম্পন্ন পুষ্টিবিদরা এ সেবা দিয়ে আসছেন। ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আগামীতে তাদের এই প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের সফলতা আসবে এবং সম্প্রসারিত হবে এই আশা পোষণ করি।

অধ্যাপক শাহীন আহমেদ

অধ্যাপক শাহীন আহমেদ

পুষ্টি বিশেষজ্ঞ, প্রাক্তন অধ্যাপক, বিভাগীয় প্রধান গার্হস্থ্য অর্থনীতি মহাবিদ্যালয়

ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের একযুগ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের কথা জেনে আমি আনন্দিত। বাংলাদেশে ভিন্ন ধারার স্বাস্থ্যসেবায় যে আশানুরূপ সাড়া আপনারা জাগিয়েছেন তা নি:সন্দেহে প্রসংশনীয়। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিশ্বে অন্যান্য দেশে কাউন্সেলিং বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দেয়া হয়। নিরোগ, সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী জীবনযাপনে আমাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন খুবই জরুরি। বিগত দিনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও কার্যক্রমে তেমন আভাসই মিলছে। আমার বিশ্বাস ভবিষ্যতে আরো বহু মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে। ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের যে কোন ভাল উদ্যোগের সাথে আমি আছি।
যুগপূর্তিতে আমি তাদের শুভেচ্ছা জানাই।

রশীদুল হাসান

রশীদুল হাসান

চেয়ারম্যান, উত্তরা ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিডেট

CEO & PRINCIPAL NUTRITIONIST

LIGHT IS MIGHT, FULL MAKES FOOL...

Bad nutrition & food habit begets most health hazards. Cases of cardiac ailment, diabetes, high blood pressure, obesity, arthritis, cancer, anemia, renal problems are on alarming rise. Pure and balanced diet is the answer to good health and long life.

TEAM MEMBERS

Sanjida Afrin

Sanjida Afrin

Nutritionist
Farzana Ferdous

Farzana Ferdous

Nutritionist
Nur-E-Zannat

Nur-E-Zannat

Nutritionist
Refat Mahtarin

Refat Mahtarin

Nutritionist

Eat Well Live Well for a Lifetime...

Diet counseling centre, where people can take any solution about food related health problems. Develop healthy habits for life.

Blog

অটিজম: খাদ্য-পুষ্টি ব্যবস্থ্যাপনা

অটিজম: খাদ্য-পুষ্টি ব্যবস্থ্যাপনা

অটিজম মস্তিস্কের বিকাশজনিত সমস্যা, যার কারণ আজও অজানা। এ সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে সামাজিক আচার আচরণ, যোগাযোগ ও ব্যবহারের সমস্যা লক্ষ্য করা যায়। ধরা হয় মায়ের গর্ভেই শিশুরা এ সমস্যায় আক্রান্ত হয়। তবে প্রকাশ ঘটে জন্মের প্রথম তিন বছরের মধ্যে। সেক্ষেত্রে Early Intervention এর মাধ্যমে জন্মের ১৮ মাস থেকে ৩৬ মাস বয়সের মধ্যে আটিজম শনাক্তকরণ ও যথোপযুক্ত শিক্ষার ব্যবস্থা, পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষিত অটিজম থেরাপিস্টের মাধ্যমে থেরাপি প্রদানের ফলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরানো যেতে পারে।

প্রোবায়োটিক্স

প্রোবায়োটিক্স

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (FAO/WHO)  দেওয়া সংজ্ঞা অনুযায়ী – প্রোবায়োটিক্স হচ্ছে জীবন্ত অনুজীবসমূহ যা পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে মানবদেহের স্বাস্থ্য রক্ষায় উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে। অন্য ভাবে বলা যায় যে, প্রোবায়োটিক্স হচ্ছে নন-প্যাথোজেনিক অণুজীবসমূহ যেগুলো মানবদেহের পাকস্থলী এবং অন্ত্রে অবস্থান করে মানবদেহের জন্য উপকারী কাজ করে থাকে। এদের মধ্যে ইস্ট অথবা ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়া উল্লেখযোগ্য। এগুলো খাদ্যে এবং মানবদেহের অন্ত্রে পাওয়া যায় এবং খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করার পর মানবদেহের স্বাস্থ্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি

গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি

গর্ভকালীন মা ও শিশু উভয়ের জন্যই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায়। আর এই গর্ভস্থ ভ্রুণের বেড়ে উঠার জন্য সকল পুষ্টির চাহিদা পূরন করে মা। গর্ভবতী মায়ের অতিরিক্ত খাবারের প্রয়োজন দু’টি কারণে – প্রথমত: নিজের স্বাস্থ্য সঠিক রাখা, দ্বিতীয়ত: গর্ভস্থ ভ্রুণের গঠন ও বৃদ্ধি ঠিক রাখা। গর্ভকালীন শেষ তিন মাসে মায়ের সুষম খাদ্যের পরিমাণ সঠিক না হলে শিশু কম ওজনের বা অপরিণত শিশুর জন্ম হয়। এমন কি শিশুর মৃত্যুও হতে পারে। পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের অভাবে গর্ভবতী মায়ের রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন রকম রোগ ও অপুষ্টি দেখা দেয়, এবং গর্ভস্থ ভ্রুণের গঠন ও বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

সুস্থ থাকুক কিডনি

সুস্থ থাকুক কিডনি

কিডনি রোগ কোন নতুন সমস্যা নয়। তবুও বিশ্বব্যাপী এ রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতন। তবে বেশির  ভাগ লোকই বিভিন্ন রোগের উপসর্গ যেমন খাবারে অনিহা, বমি বমি ভাব, ঝিমুনি, প্রসাব জটিলতা, ইডিমা ইত্যাদিকে মানসিক চাপ বা দুর্বলতা মনে করে গুরুত্ব দেন না। বয়স বাড়ারসাথে সাথে আমাদের শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটে।

কম ওজন নিয়ে চিন্তিত!

কম ওজন নিয়ে চিন্তিত!

স্বাস্থ্যকর ওজন  অর্জন করা যে কোনো ক্ষীণকায় ব্যক্তির একটি অন্যতম টার্গেট। এছাড়া যারা পেশীবহুল খেলাধূলা করেন ও দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন তারাও চান স্বাস্থ্যকর ওজন অর্জন করতে। ক্ষীণকায় বলতে আমরা তাকেই বুঝি যার ওজন “স্বাস্থ্যকর ওজন সীমার” মাঝে নাই এবং দেহে কাক্সিক্ষত চর্বির পরিমাণ নেই যাতে তিনি স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে পারেন।

শিশুর স্থুলতা

শিশুর স্থুলতা

আমাদের দেশে অনেক মা বাবাই শিশুর জীবনের প্রথম দিকে ওজন বৃদ্ধিকে আনন্দের সাথে নেন। সংস্কারগত ভাবেই আমরা খেতে ভালবাসি। কিন্তু মা বাবা হিসাবে অনেকেই তাদের শিশুর অত্যধিক ওজন বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাবগুলো নিয়ে চিন্তা করেন না। যখন একটি শিশুর শৈশবকালে বয়স এবং উচ্চতার তুলনায় ওজন অনেক বেশি হয় তখনই শিশুর স্থূলতা দেখা যায়। শৈশবকালীন স্থূলতা যদি পরিণত বয়সেও থেকে যায় তাহলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যেমন ধমনি ও শিরা সংক্রান্ত রোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরল।